বার্সেলোনা তারকা তুরানের ৩২ মাসের কারাদণ্ড

বার্সেলোনা তারকা তুরানের ৩২ মাসের কারাদণ্ড সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ ০ comments
arda-turan-Rongginn

বার্সেলোনা তারকা তুরানের ৩২ মাসের কারাদণ্ড

রঙিন ডেস্ক : বেআইনি অস্ত্র নিজের কাছে রাখার অপরাধে তুরস্ক এবং বার্সেলোনা মিডফিল্ডার আর্দা তুরানকে ৩২ মাসের কারাদন্ডের সাজা দিল তুরস্কের একটি আদালত। তবে এই রায়ের কারনে তুরানকে এখনই হাজতে যেতে হচ্ছেনা।আগামী ৫ বছরের মধ্যে তুরান আবার কোনো অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ে দোষী সাব্যস্ত হলে তবেই তাকে এই সাজাভোগ করতে হবে।

প্রকাশ্যে বন্দুকচালনা, ইচ্ছাকৃত আঘাত ও বেআইনি অস্ত্র নিজের কাছে রাখার অপরাধে তার নামে প্রায় তিন বছরের এই সাজা ঘোষণা করল আদালত।

আরো পড়ুন <>  আগামীকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ

আর্দা তুরান বর্তমানে লোনে খেলছেন তুরস্কের ক্লাব ইস্তাম্বুল বাসাকসেহিরে। গত বছর ইস্তানবুলের একটি নাইটক্লাবে পপস্টার বার্কে শাহিনের ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন আর্দা তুরান। শেষ পর্যন্ত এক ঘুষিতে বার্কে শাহিনের নাক ভেঙে দেন ৩২ বছর বয়সী তুরান।

এখানেই শেষ নয়। ঘটনাক্রমে হাসপাতালে পৌঁছে প্রকাশ্যে বন্দুক চালিয়ে বসেন তুরস্কের জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার। যা রীতিমতো ভীতি সঞ্চার করে সাধারণ মানুষের মনে। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে বাসাকসেহির তুরানকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানা করে।

আদালতে তুরানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলে প্রাথমিকভাবে কৌঁশলিরা তার ১২ বছরের কারাদন্ড দাবি করেন। একইসঙ্গে পপস্টার শাহিনের স্ত্রীকে তুরান যৌন নিগ্রহ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। যদিও ওই মামলা থেকে রেহাই পেয়েছেন এই ফুটবলার। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে সমস্ত ঘটনার দায় স্বীকার করে তুরান তার পরিবার ও ক্লাবের কাছেও ক্ষমা চেয়ে নেন।

২০১৫ সালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ থেকে ৩৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনায় যোগ দেন আর্দা তুরান। বার্সার জার্সি গায়ে ৫৫ ম্যাচে ১৫ গোল করার পাশাপাশি ৪টি ট্রফিও জেতেন তুরস্কের এই ফুটবলার। এরপর ২০১৭-১৮ মৌসুমে বার্সেলোনা থেকে লোনে তুর্কি ক্লাবে যোগ দেন তিনি। দেশের জার্সি গায়ে ১০০ ম্যাচে তুরানের নামের পাশে রয়েছে ১৭ গোল।

এএইচ

No Comments so far

Jump into a conversation

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Your data will be safe!Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.